বুধবার দুপুরে জামালপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবু তাহের এই দণ্ডাদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কিশোরগঞ্জের জীবন, গাজীপুরের শিপন, রাজধানী মিরপুরের রাকিব, কুমিল্লার সোহেল ও মানিকগঞ্জের রনি। তবে এই মামলায় এখনো পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন রনি। রায়ের পর চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।
.png)
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ নূরুল করিম ছোটন জানান, ২০১১ সালের ১৩ জুন জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কমিউটার এক্সপ্রেস ট্রেনের ছাদে অজ্ঞাত এক যুবকের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ট্রেনের ছাদ থেকে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে দুরমুঠ রেলওয়ে স্টেশনের রেল লাইন থেকে ওই অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে থানার এএসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচ আসামির মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করে
পুলিশ। পরবর্তীতে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
সন্দেহাতীতভাবে তাদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ও ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে চার আসামির উপস্থিতিতে পলাতক এক আসামিসহ প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন জামালপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবু তাহের। এছাড়াও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।