এ অঞ্চলে প্রায় দুইশ বছর ধরে পূর্ণিমার তিথিতে রাসমেলা আয়োজন করা হয়। এ মেলা উপলক্ষে হিন্দু পুণ্যার্থীদের পাশাপাশি লক্ষাধিক মানুষের কুয়াকাটায় আগমন ঘটে। রাসমেলাকে ঘিরে অপরূপ সাজে সেজেছে কুয়াকাটা।
জেলা প্রশাসন, পৌরসভা, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রাসমেলা এবং সৈকতে পুণ্যস্নানকে ঘিরে কুয়াকাটা রাস উদযাপন কমিটিকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে থাকে। কুয়াকাটায় ভক্তদের জাগতিক পাপ ও রোগমুক্তির আশায় সমুদ্রস্নান এবং পূজা অর্চনা আর প্রতিমা দর্শনে পুণ্যার্থীদের সমাগম ঘটে।
.png)
এছাড়া রাসমেলা উপলক্ষে কুয়াকাটার পর্যটন স্পট ঝাউবন, রাখাইন পল্লী, লেম্বুর বন, গঙ্গামতীর চর, বৌদ্ধ বিহার, রাখাইন মার্কেটসহ বিভিন্ন স্পট সাজানো হয়েছে অপরূপ সাজে। প্রস্তুত করা হয়েছে ১৭ জোড়া প্রতিমা। আগতদের থাকা-খাওয়া নির্বিঘ্ন করতে আবাসিক হোটেল ভাড়া এবং রেস্তোরাঁয় খাবারের মূল্যতালিকা টাঙানো হয়েছে। নিশ্চিত করা হয়েছে পানি ও পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা। পাশাপাশি সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে দুই কিলোমিটার এলাকার মধ্যে টহল দেবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থযাত্রী সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন মন্ডল বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রায় ২০০ বছরের আগে থেকেই এ রাস পূজা ও উৎসব উদযাপন করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী রোববার রাতে অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রাস পূজা।
রাসমেলা উপলক্ষে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন থেকে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো সৈকত সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে থাকবেন পুলিশ-র্যাব সদস্যরা। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম।