সোমবার দুপুরে এ রায় দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক রোজিনা খান। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার পরানপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে ইউছুফ, বনি আমিন, ইউছুফের ভাতিজা সোলায়মান, ইউছুফের শ্যালক মৃত আ. মতিনের ছেলে আব্দুল হক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইউসুফের বড় বোন রজ্জবী বিবি।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম।
তিনি জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১৯৯৮ সালের ২১ মে ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহীদ উল্ল্যাহর সঙ্গে আসামিদের কথা কাটাকাটি হয়। ঐ ঘটনার জেরে ওইদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে আসামিরা ব্যবসায়ী শহীদ উল্ল্যাহকে পরানপুর বাজারের পশ্চিম পাশে বিরোধপূর্ণ জমিতে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। দ্রুত স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।
ঘটনার পরদিন ১৫ জনকে আসামি করে বরুড়া থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের ছোটভাই আমান উল্ল্যাহ। পরে ইউসুফসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরুড়া থানার এসআই সৈয়দুল মোস্তফা। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি ইউসুফসহ পাঁচজনের দোষ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার এ রায় দেন আদালত।