অনুষ্ঠানে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন- উপজেলা চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল কবির, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এটিএম ফায়েজুর রাজ্জাক আকন্দ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন দিলদার, থানার ওসি মো. বছির আহমেদ বাদল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুরুজ্জামান আকন্দ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. আবুল হাশেম ও উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক একেএম ছামেদুল হক প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের মাটি চেয়েছিলো, মানুষ নয়। যে কারণে তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ডিসেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমণে পাকিস্তানিরা মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঠিক আগে বিশ্বাসঘাতক আলবদর ও আলশামসদের মাধ্যমে তালিকা করে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
.png)
আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নাগরিকরা অংশ নেন। এর আগে, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে উপজেলা পরিষদ, প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।