এখান থেকে কম দামে নিজেদের সাধ্যের মধ্যে পরিবারের সবার জন্য শীতের জুতা ও পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। সাধ্যের মধ্যে পছন্দের শীতবস্ত্র ও জুতা কিনতে পারেন তারা।
সরজমিনে দেখা যায়, প্রতি শুক্রবার বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এ ফুটপাতের দোকানগুলোর কেনাবেচা। এছাড়া গোলাম সারোয়ার রোড, গার্মেন্টস পট্টি সপ্তাহে ছয়দিন খোলা থাকে।
.png)

বিক্রেতা ইলিয়াস কবিরাজ বলেন, আমরা বিভিন্ন বাজারে হকারি করি। প্রতি সপ্তাহে বরগুনা গার্মেন্টস পট্টির দোকানপাট বন্ধ থাকায় এখানে বসে শীতের জুতা, জামা কাপড় বিক্রি করে থাকি। বিভিন্ন কোম্পানির জুতা ঢাকা থেকে কিনে বরগুনার প্রতিটা বাজারে বিক্রি করি। ১৫০ থেকে ২০০ টাকা মধ্যে শীতের জুতা, এর সঙ্গে মাথার টুপি, পায়ের মোজাও পাওয়া যায়। এসবের চাহিদা অনেক বেশি, তবে দাম তুলনামূলকভাবে কম।
জুতা কিনতে এসে হালিমা খাতুন বলেন, আমার নাতির জন্য জুতা কিনতে এসেছি। বড় মার্কেটে অনেক টাকা চায়। এজন্য কম দামে গার্মেন্টস পট্টির ফুটপাতের দোকান থেকে একজোড়া শীতের জুতা কিনেছি।