মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে নিশ্চিত করেছেন তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।
এদিকে সরজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর থেকেই জেলায় উত্তর দিক থেকে হিমেল বাতাস বইতে শুরু করে। চারপাশে কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশের সঙ্গে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। মধ্যে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে থাকছে চারপাশ। সকালের পর সূর্যের আলো দেখা মিলছে, তবে তেমন উত্তাপ ছড়াচ্ছে না।
.png)
এ বিষয়ে কথা হয় জেলার সদর উপজেলার চা শ্রমিক রুবেল হোসেনের সঙ্গে। তিনি জানান, গত কয়েকদিনের তুলনায় কুয়াশা কিছুটা কমেছে। তবে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, পঞ্চগড় থেকে হিমালয় অনেক কাছে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিবছর এখানে তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শীতের তীব্রতা বেশী থাকে। তাপমাত্রা আরো হ্রাস পেয়ে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর পঞ্চগড়ে শীত বেশি থাকে। এবারো শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে শীতবস্ত্র চেয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। গরীব, অসহায় এবং শীতার্তদের মাঝে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।