শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন উপজেলা প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন বছরে বিতরণের জন্য এক লাখ ১৬ হাজার ৯০০টি বই এসেছে। ওইসব বিনামূল্যের বই স্বস্ব বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, পৌর শহরসহ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৫৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য অর্ধশতাধিক বেসরকারি এবং কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ে চাহিদানুযায়ী এক লাখ ১৬ হাজার ৯০০টি বই নতুন বই আসে। এরমধ্যে প্রাক-প্রাথমিকে ৩ হাজার ৫শ, প্রথম শ্রেণিতে ৫ হাজার, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৫ হাজার, তৃতীয় শ্রেণিতে ৪ হাজার ৭৫০, চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ হাজার ৭০০ ও ৫ম শ্রেণিতে ৪ হাজার ৫০০ সেট বই রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মাধ্যমে স্বস্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওইসব বই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। নতুন বইয়ে নতুন বছরে উৎসবে মাতবে এ উপজেলার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
.png)

জানা গেছে, উপজেলার ১৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য নতুন বছরে বইয়ের চাহিদা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩০০টি। চাহিদা অনুযায়ী এরইমধ্যে বেশিরভাগ বই স্বস্ব বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়।
পৌর শহরের রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক মৌসুমী আক্তার বলেন, যথা সময়ে চাহিদানুযায়ী সরকারি বিনামূল্যের শতভাগ বই এরইমধ্যে আমরা পেয়েছি। নতুন বছরের প্রথম দিনে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে আমরা এসব বই তুলে দেবো। আমি মনে করি, বছরের প্রথম দিন নতুন বই পেয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিত বাড়বে। মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে পাঠদানে।
আমোদাবাদ আলহাজ শাহআলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মো. তারেক বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই চাহিদানুযায়ী সরকারি বিনামূল্যের বেশিরভাগ বই আমরা পেয়েছি। ১ জানুয়ারি ওইসব বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান বলনে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেসরকারি বিদ্যালয় এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোতে তাদের চাহিদা অনুযায়ী বই পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ জানুয়ারি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাতবে নতুন বই উৎসবে। আমরা ২০২৪ সালের প্রথম দিনে বই উৎসব করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।
তিনি আরো বলেন, বছরের প্রথম দিনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া বর্তমান সরকারের শিক্ষাখাতে বড় একটি সাফল্য। আশা প্রকাশ করছি বছরের শুরুতে নতুন বই পেয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়মুখী হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার প্রতি তাদের উৎসাহ বাড়বে সেই সঙ্গে কমবে ঝড়ে পড়ার সংখ্যা। এর ফলে ফলে বৃদ্ধি পাবে শিক্ষার মান।