গত বুধবার (৩ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারার সরেঙ্গা ঘাট থেকে মাছ ধরার জন্য রওনা দেয় ট্রলারটি। ট্রলারে ১৩ মাঝিমাল্লা ছিলেন। তাদের মধ্যে আব্দুল মান্নান, আলী হোসেন, জালাল, দেলোয়ার ও রায়হান। ট্রলারটির মাঝি ছিলেন, কালু মাঝি প্রমুখ।
ট্রলারটির মালিক মো. নিজাম উদ্দিন ও ওবাইদুল হক মুন্না জনান, ট্রলার রওনা দেওয়ার সময় ট্রলারে ১৫ দিনের খাবার দেওয়া হয়। বুধবার রাতে রওনা দেওয়ার পর শুক্রবার তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখন তারা আমাদের জানিয়ে ছিলেন ট্রলারের ইঞ্জিনের সমস্যা হয়েছে, ট্রলার চলছে না। তারা এখন পানিতে ভাসছেন। তখন তারা সেন্টমার্টিনের বাইরে ও টেকনাফের কাছাকাছি ৩০ ভিউ পানিতে (জেলেদের নিজস্ব ভাষা) নেটওয়ার্কের মধ্যে অবস্থান করছিলেন বলে জানান। পরে তখনই তাদের উদ্দেশ্যে আমরা আরেকটা ট্রলার পাঠাই। ট্রলারটি তিনদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের খোঁজ পায়নি। বিষয়টি আমরা নৌ-পুলিশকে জানিয়েছি।
.png)
নৌ-পুলিশের কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে আমরা গত কয়েকদিন ধরে নির্বাচনী দায়িত্বে আছি। এরই মধ্যে আমরা একাধিক স্থানে বিষয়টি জানিয়েছি।