বুধবার দুপুরে শহরের ঘোপ নওয়াপাড় রোড এলাকার ব্যবসায়ী কামাল হোসেনের বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার হয়। এ বাড়িতে লিমা ভাড়াটিয়া ছিলেন। তিনি রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা গ্রামের সাদিকুর রহমানের মেয়ে। তিনি নার্সিং ইনস্টিটিউটের ছাত্রী ও যশোর শহরের একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
লিমার রুমমেট ও সহকর্মী মৌসুমী খাতুন বলেন, অন্যান্য দিনের মতো বুধবার সকালে আমি কর্মস্থলে যাই। দুপুর আড়াইটার দিকে শুনি পুলিশ লিমার মরদেহ উদ্ধার করেছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, গত একমাস ধরে লিমা তার কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন না। এ সময় তিনি ঘরেই থাকতেন বেশি। শুনেছি তার বিয়ে হয়েছে- কিন্তু বনিবনা হচ্ছিল না। এ নিয়ে মানসিক কষ্টে ছিল।
লিমার বাবা সাদিকুর রহমান বলেন, গত দু’দিন ধরে লিমা ফোন ধরছিল না। এতে আমাদের সন্দেহ হয়। তাই খোঁজ নিতে এদিন যশোরে এসেছি। দরজা বন্ধ দেখে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশকে খবর দিই। তারা এসে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। মেয়ের বিয়ের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না বলে দাবি করেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মৃতদেহটি পাওয়া গেছে। আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।