ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

শ্বাসরোধে হত্যা: মরদেহ গুম করতে দেওয়া হয় মাটিচাপা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:২০, ২৫ জানুয়ারি ২০২৪
শ্বাসরোধে হত্যা: মরদেহ গুম করতে দেওয়া হয় মাটিচাপা
ফাইল ফটো

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে নিখোঁজের দুইমাস পর ছয়ফুল ইসলাম নামে এক কৃষকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইফুল ইসলাম হরিণাকুণ্ডুর তৈলটুপি গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে। এর আগে, গত বছরের ১৫ নভেম্বর রাতে নিখোঁজ হন কৃষক সাইফুল ইসলাম। 

জানা গেছে, মজনু হোসেন ও মনিরুল ইসলামের সঙ্গে চলাফেরা করতেন নিহত ছয়ফুল ইসলাম। মজনু ও মনিরুলের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার আইলচারা ও আস্তানগর গ্রামে। তারা দুইজন টাকার বিনিময়ে এক যৌনকর্মী ঠিক করার জন্য ছয়ফুল ইসলামকে টাকা দেন। 

Advertisement

কিন্তু কোনো যৌনকর্মীকে ভাড়ায় না পাওয়ায় গত বছরের ১৫ নভেম্বর রাতে কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার মধ্যনাথপুর গ্রামের কুমার নদীর পাড়ে রঞ্জু ইটভাটার পাশে তিনজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মজনু ও মনিরুল ছয়ফলের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করতে ঘটনাস্থলে পুঁতে রেখে পালিয়ে যান তারা। 

এদিকে, ছয়ফুলকে কোথাও না পেয়ে গত বছরের ১ ডিসেম্বর হরিনাকুন্ডু থানায় নিখোঁজ জিডি করেন নিহতের ভাই নয়ফল হোসেন। নিখোঁজ জিডির তদন্তের সূত্র ধরে হরিনাকুন্ডু থানা পুলিশ কুষ্টিয়া সদরের আলচারা গ্রামের ইসলাম হোসেনের ছেলে মজনু হোসেন ও একই উপজেলার আস্তানগর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলামকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ছয়ফুলকে হত্যা করে মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান জানান, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারসহ নানা উপায়ে ছয়ফলকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করে পুলিশ। বুধবার তার ব্যবহৃত মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়। এরই সূত্র ধরে ওই এলাকার শ্মশান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ছয়ফুলকে হত্যা করে মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!