ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জাহিদ খানের প্রেমের টানে মালয়েশিয়ান তরুণী বাংলাদেশে

নরসিংদী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:২৯, ২৬ জানুয়ারি ২০২৪
জাহিদ খানের প্রেমের টানে মালয়েশিয়ান তরুণী বাংলাদেশে
ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ সালে জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় যান জাহিদ খান। সেখানে একটি দোকানে সেলসম্যানের চাকরি করেন। ছোট থেকেই বাইকের প্রতি নেশা থাকায় তিনি কাজের ফাঁকে ইউটিউবে মোটর ব্লগিং করতেন। সেই সূত্রেই ফটোশুটের মাধ্যমে মালয়েশিয়ান তরুণী রুহি রুহানার সঙ্গে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেম। এরপর ভালোবাসার টানে জাহিদের সঙ্গে রুহি চলে আসলেন নরসিংদীতে।

জাহিদ খান নরসিংদী সদর উপজেলার হাজিপুর এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছোট ছেলে। সোমবার মুসলিম রীতিনীতি অনুয়ায়ী তাদের বিয়ে হয়েছে। ভিনদেশি তরুণীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত পরিবার।

জানা যায়, জাহিদ মালয়েশিয়ায় একটি খেলনার দোকানে সেলসম্যান হিসেবে চাকরি করার পাশাপাশি ইউটিউবে ‘জাহিদ খান’ নামে একটি ব্লগ খুলেন। নিজের বাইক দিয়ে বিভিন্ন মানুষের ফটো ও ভিডিও তৈরি করে দিতেন ইউটিউবের সেই ব্লগে। সেই সূত্রে পরিচয় মালয়শিয়ার নাগরিক রুহি রুহানার সঙ্গে। তিনি পেশায় একটি গাড়ি উৎপাদন কোম্পানির প্রসাশনিক কর্মকর্তা। তারপর থেকে সম্পর্ক গড়ে উঠে দু’জনের মধ্যে। দীর্ঘ দু’বছর সম্পর্কের পর সিদ্ধান্ত নেন বিয়ে করার।

Advertisement

প্রথমে তরুণীর পরিবার রাজি না হলেও পরে মালয়েশিয়ায় তাদের বিয়ে হয়। সেখানে জাহিদের পরিবারের লোকজন না থাকায় প্রেমিক জাহিদের সঙ্গে (১৫ জানুয়ারি) মালয়শিয়া থেকে নরসিংদীর হাজিপুরে চলে আসেন এ তরুণ-তরুণী। পরে সোমবার মুসলিম রীতিনীতি অনুয়ায়ী তাদের দু’জনের বিয়ে হয়।  বাংলাদেশি তরুণের সঙ্গে ভিনদেশি তরুণীর বিয়েতে খুশি পরিবার ও এলাকাবাসী।

জাহিদে বন্ধু জুবায়ের বলেন, ‘রুহি খুবই মিশুক প্রকৃতির। সে ভিনদেশি হলেও সবার সঙ্গে অল্প সময়ে মিশে গেছে। সবার সঙ্গে খুব আনন্দ করে সময় কাটাচ্ছে। আমরা চাই তারা সবসময় সুখি থাকুক।’

মালয়েশিয়ান তরুণী রুহি রুহানা বলেন, ফটোশুট করতে গিয়ে পরিচয়, সেখান থেকে ভালোবাসা শুরু। সে মানুষ হিসেবে খুব ভালো। তার কাছে ভাষা, খাবার দেশ সম্পর্কে জানতে পেরেছি। মালয়েশিয়ায় বিয়ে হলেও ওর পরিবারের কেউ না থাকায় আমরা আবার বিয়ে করেছি।

জাহিদ হাসান বলেন, আমি ৬ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় রয়েছি। মোটরবাইক দিয়ে ফটোস্যুট করার বাহানায় তার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে আমরা সম্পর্কে জড়িয়ে যাই। তাকে মালয়েশিয়ান বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে নিয়ে বাংলাদেশি খাবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছি। পরে তাকে দেশে নিয়ে এসেছি। এখন তাকে বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখাব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!