বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজন হলেন-কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের চালক মোহাম্মদ আলী, শান্টিং ইঞ্জিনের চালক নজরুল ইসলাম ও সহকারী চালক মো. সজিব। বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
জানা গেছে, চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি সন্ধ্যা ৭টায় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এলাকা অতিক্রমের সময় একটি শান্টিং ইঞ্জিনের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়ে যায়।
.png)
চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, চট্টগ্রামমুখী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পেছন থেকে ইঞ্জিনটিকে ধাক্কা দেয়। এতে কিছু যাত্রী আহত হন। তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ফৌজদারহাট রেলস্টেশন এলাকায় অন্য একটি ট্রেনের ইঞ্জিন শান্টিং করছিল। এ সময় কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের সঙ্গে শান্টিং ট্রেনের ইঞ্জিনের সংঘর্ষ হয়। এতে কর্ণফুলী ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়। কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথ বন্ধ হয়ে যায়। সিঙ্গেল লাইন চালুর পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে রেলপথ আংশিক স্বাভাবিক ঘোষণা করা হয়।