বীথি সমদ্দার নামের ঐ গৃহবধূকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়ে বিকেলে তিনি মারা যান।
স্থানীয়রা জানান, পাঁচ বছর আগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের বাসুদেব সমদ্দারের মেয়ে বীথি সমদ্দারের সঙ্গে বানারীপাড়ার উদয়কাঠি ইউনিয়নের তেতলা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সুধীর রায়ের ছেলে সুমন রায়ের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে সুপ্তী রায় নামের তিন বছর বয়সি কন্যাসন্তান রয়েছে।
.png)
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দাম্পত্য জীবনে বীথি ও সুমন একে অপরকে সন্দেহ করতেন। সন্দেহ ও পারিবারিক কলহের জেরে আজ বেলা ১১টার দিকে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সুমন রায় হাতুড়ি দিয়ে বীথির মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। প্রতিবেশীরা বিষয়টি দেখে সুমনকে আটক করেন।
এ সময় সুমন গণপিটুনি থেকে বাঁচতে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে স্ত্রীকে হাতুড়িপেটা করে হত্যার কথা জানান এবং পুলিশের কাছে আাত্মসমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এরপর ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ এসে তাকে আটক করে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মাইনুল ইসলাম বলেন, স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন সুমন রায়। এ ব্যপারে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।