সোমবার দুপুরে নাটোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আতিক হাসান গুরুদাসপুর উপজেলার নারায়নপুর এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে, একই এলাকার আশরাফ হোসেন মাস্টারের ছেলে সুমন আলী এবং টিপু সুলতান ও আবু জাফর একই এলাকার সাত্তার আলীর ছেলে।
.png)
জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট সকালে নিজ বাড়ি থেকে উত্তরনারীবাড়ি এলাকায় প্রাইভেট পড়তে যায় ওই ভিকটিম। এ সময় রাস্তার পাশে আতিক হাসান, সুমন আলী, টিপু সুলতান ও আবু জাফর ছাত্রীকে জোর করে অপহরণ করে সাদা একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে চাচা আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে চারজনের নামে গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার ১০দিন পর ২০ আগস্ট নাটোর জেলা ও দায়রা জজ কোর্ট চত্বর থেকে পুলিশ অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে। দীর্ঘ ৯ বছর পর সোমবার দুপুরে আদালতের বিচারক চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
নাটোর জজ কোর্টের স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৭ ধারায় যাবজ্জীবন ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। অপর তিন আসামি সুমন আল, টিপু সুলতান ও আবু জাফরকে যাবজ্জীবন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন।