স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩৫ বছর ধরে উপজেলার চরহাজারী গ্রামের কুমির আলা বাড়ির পুকুরে অবৈধভাবে অবরুদ্ধ ছিল লোনা পানির এ কুমির। ওই কুমিরের নাম অনুসারে বাড়িটি পরিচিতি লাভ করে কুমির আলা বাড়ি হিসেবে। বছরখানেক আগে ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি নজরে আসে বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিটের। এরপর শনিবার দুপুর ২টার দিকে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় বন্যপ্রাণী ও অপরাধ দমন ইউনিট। সেখানে ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে কুমিরটি উদ্ধার করে নোয়াখালী উপকূলীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় নিয়ে আসা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে জনশ্রুতি রয়েছে, অনেক মানুষ মানত করে এ কুমিরকে খাবার দিত।
বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা রথীন্দ্র কুমার বিশ্বাস বলেন, গত বছর ফেসবুকের মাধ্যমে বিষয়টি আমরা অবগত হই। উদ্ধারকৃত কুমিরটি পঞ্চাশ বছর বয়সী। এর ওজন প্রায় ১শ কেজি। এখান থেকে কুমিরটি চট্টগ্রামের সাফারি পার্কে নিয়ে চিকিৎসা শেষে অবমুক্ত করা হবে।
.png)
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালীর উপকূলীয় বন কর্মকর্তা আবু ইউসুফ ও বন্যপ্রণী পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা প্রমুখ।