বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিখিল গোয়ালা জানান, ভাষা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের আয়োজনে বুধবার একটি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তারা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এভাবেই ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় শিক্ষার্থীসহ এলাকার মানুষজন। নিজেদের বাড়ি ও বন থেকে সংগ্রহ করা ফুল দিয়ে শহিদদের সম্মান জানান তারা। এবারও তার ব্যাতিক্রম হবে না। বিদ্যালয়ে একটি শহিদ মিনার নির্মাণ করার দাবি জানান তিনি।
.png)
সহকারী শিক্ষক নিরেন সাঁওতাল জানান, বিদ্যালয়ে মোট ১১৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এখানকার সব শিক্ষার্থীই চা শ্রমিকদের সন্তান। বিদ্যালয়ের ভবন সংকটসহ নানা সমস্যা রয়েছে। আশা করি আগামী ভাষা দিবসের আগে এখানে একটি শহিদ মিনার স্থাপন হবে।
স্থানীয়রা জানায়, ১৯৮৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো সরকারিকরণ হয়নি। বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করারও দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর।
গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুস শুকুর বলেন, শিক্ষার্থীদের সঠিক ইতিহাস জানতে শহিদ মিনার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। তাই উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার স্থাপন করা সময়ের দাবি।
গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ বলেন, পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার স্থাপন করা হবে।