বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে, ওই গৃহবধূর মামলায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্শিজোড়া গ্রামের নূর উদ্দিনের ছেলে রুবেল মিয়া, সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার বড়গোল্লা গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে শাহীন আহমেদ ও একই উপজেলার রতনপুর গ্রামের আনর আলীর ছেলে মুহিবুর রহমান।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান খান।
ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বছরখানেক আগে পরিবারের অসম্মতিতে প্রেমিককে বিয়ে করেন ওই নারী। তার স্বামী পেশায় একজন ট্রাকচালক। স্বামীর পূর্ব পরিচিত হিসেবে ট্রাকচালক মুহিবুর রহমান ও রুবেল মিয়ার সঙ্গে ওই গৃহবধূর বিভিন্ন সময় ফোনে কথা হতো। শনিবার সন্ধ্যায় তার স্বামীসহ ঘুরতে যাবে বলে ফুঁসলিয়ে অটোরিকশাযোগে সিলেট শহর থেকে কোম্পানীগঞ্জে নিয়ে যায়।
সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কোম্পানীগঞ্জের তেলিখাল ইউনিয়নের তেলিখাল বড় রামাইল এলাকার অনাবাদি জমির ঝোপঝাড়ে নিয়ে প্রথমে রুবেল মিয়া জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর মুহিবুর ও শাহীন পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে কাটাখাল ব্রিজের ওপর নিয়ে সিলেটগামী একটি অটোরিকশায় তুলে দিয়ে পালিয়ে যান ধর্ষকরা।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি গোলাম দস্তগীর আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রুবেল মিয়াকে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, শাহীন আহমেদকে কোম্পানীগঞ্জের দক্ষিণ বুড়দেও ও মুহিবুর রহমানকে সিলেটের বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।