শুক্রবার (১ মার্চ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ থেকে ছেলের মরদেহ নিয়ে ঝালকাঠি আসেন তার বাবা দীনেশ হালদার।
তুষার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় থাকতেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের তালগাছিয়া গ্রামে।
.png)
তুষারের স্বজনরা জানান, বন্ধুদের সঙ্গে কনভোকেশন নিয়ে নানান পরিকল্পনা ছিলো তার। বাবা-মাকেও কনভোকেশনে নেয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছিলেন তুষার। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তুষার হালদার গ্রামের বাড়িতে চলছে মাতম।
তুষারের বাবা দীনেশ চন্দ্র হাওলাদার বলেন, তুষার হালদার ‘দ্য রিপোর্ট ডট লাইভ’ ছেড়ে ‘কেস্টারটেক’ নামে একটি অনলাইন মাল্টিমিডিয়ায় কাজ শুরু করে। নতুন চাকরি হওয়ায় আনন্দ উদযাপন করতে এক সহকর্মীকে নিয়ে ঐ রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিল।
শৌলজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন রিপন জানান, তুষার ছিল তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান এবং খুবই মেধাবী। সাংবাদিকতা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার জন্য ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক করেছে সে। লেখাপড়ার জন্য সে ঢাকায় থাকতো। তার এ অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।