শুক্রবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আবিরনগর এলাকায় দুই লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে রিয়াজ ও আজিরার। এ সময় এলাকার গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন। ঐ এলাকার কাজী মোহাম্মদ আলী বেলাল এ বিয়ে পড়ান।
জানা গেছে, বর রিয়াজ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আবিনগর এলাকার সাবেক সহকারী সাব-রেজিস্ট্রার জামাল উদ্দিনের ছেলে। কনে আজিরা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের আজহা বিন হোসাইন ও নুর আসিকিন বিন আরেফিন দম্পতির মেয়ে।
.png)
গণমাধ্যমকে রিয়াজ বলেন, প্রায় ৯ বছর আগে রিয়াজ মালয়েশিয়ায় যান রিয়াজ। এর মধ্যে ৬ বছর আগে একদিন আজিরা একটি ফ্যাশন ডিজাইনের প্রতিষ্ঠানে ক্লাস করার জন্য আসে। সেখানেই আজিরা সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
রিয়াজ উদ্দিন বলেন, আজিরা মালয়েশিয়ায় আমাদের দেশের নামে খারাপ কিছু শুনেছেন। তবে উড়োজাহাজে এক বাঙালির উপকারে সে মুগ্ধ হয়ে পড়েন। বিমানবন্দরে তাকে সংশ্লিষ্টরা আমাদের দেশে স্বাগত জানিয়েছেন। এসব বিষয়ে আজিরা খুবই খুশি। আজিরা এখন বাংলাদেশিদের সম্মান করে। আমি এক বছর দেশে আছি। এর মধ্যে আজিরা আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকবে। তাকে একবারে দেশে আনার জন্য মালয়েশিয়ার দূতাবাসসহ বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হবে।
আজিরার সম্পর্কে রিয়াজ আরো বলেন, ‘মালয়েশিয়াতে আমি অনেক মেয়ে দেখেছি। কিন্তু আজিরার মতো কাউকে পাইনি। আজিরা খুব ভালো মনের অধিকারী।’
রিয়াজকে বিয়ের ব্যাপারে মালয়েশিয়ান তরুণী আজিরা বলেন, ‘বাংলাদেশি মানুষ খুবই দারুণ ও শ্রদ্ধাশীল। আমি রিয়াজকে অনেক ভালোবাসি। কারণ সে খুব ভদ্র স্বভাবের ও অনেক সুন্দর। শ্বশুর-শাশুড়ি আমাকে মেয়ের মতো গ্রহণ করেছেন। তাদের সঙ্গে ৪ দিন ছিলাম। আমি আমার পরিবারের মাতোই তাদেরকে অনুভব করেছি।’
রিয়াজের বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘রিয়াজ আমার ছোট ছেলে। ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন করতে চেয়েছি। কিছু জটিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এ বিয়েতে আমরা পুরো পরিবারই আনন্দিত। আগামী শুক্রবার (৮ মার্চ) ছোট করে অনুষ্ঠান করা হবে। আজিরার স্বজনরা আসতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কাগজপত্রের জটিলতার কারণে আপাতত আসতে পারবেন না।’