ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে। মৃত রিয়া খাতুন কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের রাশিদুল মালিথার মেয়ে। তিনি কুমারখালী আদর্শ মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
এদিকে, ফেসবুক স্ট্যাটাসে রিয়া লেখেন, ‘অনেক মানুষই তো মরে, আমি মরলেই দোষ কী বা তাতে।’
.png)
নিহতের ফুফু টুম্পা খাতুন জানান, তার ভাতিজি রিয়ার সঙ্গে সহপাঠী নুসরাতের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তারা একে অন্যকে একদিন না দেখে থাকতে পারত না। দুই বান্ধবী ওয়াদাবদ্ধ ছিল যে, পড়ালেখা শেষ করে একসঙ্গে বিয়ে করবে। কিন্তু হঠাৎ নুসরাতকে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর নুসরাত বাবার বাড়িতে এলে রিয়া তাকে স্বামীর বাড়ি যেতে নিষেধ করে। নুসরাত তার অনুরোধ উপেক্ষা করে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ায় মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পার্শ্ববর্তী ওয়াজ মাহফিল থেকে ফিরে এসে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সকালে পরিবারের লোকজন তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
কুমারখালী থানার ওসি আকিবুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে কুমারখালী থানায় ইউডি মামলা হয়েছে।