শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার দিনগত গভীর রাতে উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বৈদ্যনাথপুর পোস্ট অফিসপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বৈদ্যনাথপুর পোস্ট অফিসপাড়া গ্রামের এক কৃষকের মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। তার সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল পাশের পশ্চিম রহিমাপুর গ্রামের মৃত দারাজ উদ্দিনের ছেলে নওয়াব আলীর (২০) সঙ্গে। শুক্রবার গভীর রাতে বরযাত্রীও চলে আসে। এ সময় বাল্যবিবাহের খবর পান ইউএনও রুবেল রানা। এরপর বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে ইউএনও সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ঐ ছাত্রীর বাবাকে ৫ হাজার টাকা ও বর নওয়াব আলীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেইসঙ্গে ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা নেয়া হয়।
.png)
তারাগঞ্জের ইউএনও রুবেল রানা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৈদ্যনাথপুর পোস্ট অফিসপাড়া গ্রামে নবম শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা জানতে পারি। পরে সেখানে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানাসহ মেয়ের মা-বাবার মুচলেকা নেয়া হয়েছে।