ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একই ভবনের উপরে স্কুল, নিচে মদের বার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৩৬, ৩ মার্চ ২০২৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একই ভবনের উপরে স্কুল, নিচে মদের বার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার গোলচত্বরের বহুতল একটি ভবনে রয়েছে বেসরকারি ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ। আর সেই ভবনের নিচতলাতেই রয়েছে ‘মদের বার’। এ ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা খুব দ্রুত মদের বারটি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, আর জে টাওয়ারের মূল ফটকের সামনে আর জে টাওয়ার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লেখা বিশাল সাইনবোর্ড। আর ১১তলা ঐ ভবনের পুরোটাজুড়ে ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজেরে সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড আর ফেস্টুন। মূল ফটক হয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই বাম পাশে বহুতল এ ভবনের বিশাল দরজা। দরজার ভেতরে রয়েছে মদের বার। 

ভবনটির ভেতরে প্রবেশ করতেই এক নিরাপত্তারক্ষী বললেন, একটু অপেক্ষা করতে হবে। সবাই দুপুরের খাবার খেতে গেছেন। বসে খেতে বিকেল নাগাদ অপেক্ষা করতে হবে। আর পার্সেল এখনই নেয়া যাবে।

Advertisement

ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের মো. শাওন নামের একজন অভিভাবক জানালেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছিলেন এটি দ্রুত সরে যাবে। কিন্তু এখনো সরানো হয়নি।

আরো কয়েকজন অভিভাবক জানালেন, পানশালা এখান থেকে সরে গেছে বলেই তারা জানতেন। কিন্তু এখনো আছে জেনে অবাক হয়েছেন। 

এদিকে এখন পর্যন্ত মদের বারটি সরে না যাওয়ায় অভিভাবকসহ স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক বলেন, এ টাওয়ারে এখনো মদের বার রয়েছে, যা কোমলমতি শিশুদের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। পৃথিবীর কোথাও একই ভবনে স্কুল আর মদের বার থাকার নজির আছে বলে জানা নেই।

আর জে টাওয়ার হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শিহাবের বলেন, বারে বিকেল ৪টার পর থেকে মদ বিক্রি হয়। এসময় স্কুলের কোনো কার্যক্রম থাকে না। এখান থেকে বারটি সরিয়ে নিতে আবেদন করাসহ কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। এখান থেকে বারটি শিগগিরই সরিয়ে নেয়া হবে। 

ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের আশুগঞ্জ শাখার অধ্যক্ষ মোস্তফা ফারুক আহমেদ বলেন, মদের বার থাকা আমাদের জন্য পেইনফুল। আমরাও চাই এটি এখান থেকে দ্রুত সরিয়ে নেয়া হোক। 

জানতে চাইলে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শ্যামল চন্দ্র বসাক বলেন, মদের বারের মালিকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বারটি সরিয়ে নিতে একমাস সময় চেয়েছেন। এর মধ্যে সরিয়ে না নিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!