বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, স্কুলের শিক্ষক আব্দুস সালাম আহত অবস্থায় পাখিটি পড়ে থাকতে দেখে কয়েকদিন আগে উদ্ধার করেন। পরে সেটিকে সেবা পরিচর্যা করেন তিনি।
তোফাজ্জুল সোহেল বলেন, বনবিভাগের কাছে পাখিটি হস্তান্তর করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সোনালী ঈগল একটি বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির পাখি। শিকারি পাখি হিসেবে এর খ্যাতি রয়েছে। আবাস ও খাদ্য সংকটের কারণে এই প্রজাতির পাখি হারিয়ে যেতে বসেছে।
.png)
বন কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী জানান, ঈগল পাখিটির আনুমানিক বয়স ১ বছর। প্রাথমিক পর্যায়ে এটিকে সুস্থ মনে হচ্ছে। তারপরও আমরা ২ দিন পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে অবমুক্ত করব। বন বিভাগের পক্ষ থেকে পাখিটি গ্রহণ করেন বনকর্মী মো. জিয়াউল হক রাজু ও মনোরঞ্জন অধিকারী।