গুরুতর আহত হন দুই ভাই হুমায়ন কবির কাজী ও খায়রুর আলম কাজী। নিহত ৪ জন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গোপালপুর এলাকার বাড়ির সদস্য। এ সময় বাসের চাপায় মাইক্রোবাসের সম্মুখভাগ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের ডোমরাকান্দিতে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে একই পরিবারের চার জন নিহত হন। এ সময় ওই পরিবারের আরো দুই সদস্য গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
.png)
নিহতের স্বজনরা জানান, ঈদ উপলক্ষে মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ গোপালপুরে আসছিলেন তারা। বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা গ্লোবাল পরিবহবনের একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের ভাতিজা কাজী সোহেল বলেন, আমার চাচা ও ফুফুসহ ৭ জন ঢাকা থেকে বাড়িতে আসছিলেন। পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় তিন ফুফু ও চাচি মারা যান। মূলত দ্রুত গতির কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহতদের আরেক ভাতিজা কাজী আসাদ বলেন, গ্লোবাল পরিহনের কারণে আমার তিন ফুফু ও চাচি মারা গেছেন। এরা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই গ্রুত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা পরিবহন সংশ্লিষ্টদের বিচার চাই।
তিনি আরো বলেন, তারা মূলত সবাই ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। ঈদে গ্রামের মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত আর জমিজমা নিয়ে আলোচনার জন্যে বাড়িতে যাচ্ছিলেন তারা।
ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের এসআই নোমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করেছে।
মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৩ জন। শুনেছি নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৪ জন রয়েছেন।