দুদকের ঝিনাইদহ আঞ্চলিক কার্যালয়ে দাখিল হওয়া মাগুরা সদর হাসাপাতালে রোগীদের ওষুধ সরবরাহের অনিয়ম বিষয়ক একটি অভিযোগ তদন্তে এ অনুসন্ধান চালানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ওষুধ যথাযথভাবে ওয়ার্ডে না দিয়ে জোর করে ওয়ার্ড ইনচার্জদের দিয়ে রেজিস্ট্রারে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে স্টোর কিপার গৌতম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।
.png)
দুদক ঝিনাইদহের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বজলুর রহমানের নেতৃত্বে অনুসন্ধান দলটি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও স্টোররুমে সরকারিভাবে সরবরাহকৃত ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জামের কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করেন। পাশাপাশি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে স্টোর রুমে থাকা মালামালের সঙ্গে কাগজপত্রের যথাযথ মিল আছে কিনা সেটা যাচাই করেন।
দুদক ঝিনাইদহের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ বজলুর রহমান বলেন, প্রাথমিক এ অনুসন্ধানের প্রতিবেদন আমরা কমিশনে জমা দেব। কমিশন যে সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চালানো হবে।
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসাপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মাহসিন উদ্দিন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি দল (দুদক) সকালে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এসে আমাদের স্টোর কিপারের বিরুদ্ধে আনিত একটি অভিযোগের অনুসন্ধানের কথা আমাকে জানিয়েছে। পরবর্তীতে তারা এ বিষয়ক প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ স্টোররুমের ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জামাদি যাচাই করেছেন। তবে এ বিষয়ে আমার কাছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ কেউ করেনি।
এ বিষয়ে গৌতম বিশ্বাস বলেন, তারা আমার দফতরের বিভিন্ন কাগজপত্র ও রেজিস্ট্রার খাতা দেখেছেন। আমি যথাযথভাবে সেগুলো উপস্থাপন করেছি। হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম নেই।