ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যা: তিন পরিকল্পনাকারী ঢাকায় গ্রেফতার

নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:০৬, ২৬ মার্চ ২০২৪
নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যা: তিন পরিকল্পনাকারী ঢাকায় গ্রেফতার
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নওগাঁর ধামইরহাটে গৃহবধূ মহসিনা খাতুনকে (৩০) হত্যার আসামি মূল পরিকল্পনাকারী স্বামীসহ শাশুড়ি ও দেবরকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকা জেলার আদাবর থানার সুনিবির হাউজিং এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, ধামইরহাট উপজেলার বিহারী নগর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও নিহতের স্বামী নুরুল আমিন ওরফে এরশাদ (৩২) ও দেবর শাকিল হোসেন (২২) এবং শাশুড়ি আমেনা বেগম। তারা সবাই ওই গৃহবধূ হত্যা মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামি।

এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি জানানো হয়।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ মার্চ ভোরে ধামইরহাটের উমার ইউনিয়নের বিহারীনগর গ্রামের নুরুল আমিনের স্ত্রী মহসিনা খাতুনকে বাড়ির পার্শ্বে আম গাছে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে পরিবারের লোকজন থানায় খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

লাশ উদ্ধারের পর গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেননি। তাদের অভিযোগ, মহসিনার সঙ্গে শাশুড়ি, স্বামী ও দেবরের প্রায়ই বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা, সোফা সেট, আলমারি আনার জন্য বিরোধ লেগেই থাকতো। এর জেরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর আম গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন স্বজনরা। পরবর্তীতে মৃতের চাচা আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় হত্যার দায়ে মূল পরিকল্পনাকারী শাশুড়ি আমেনা, স্বামী এরশাদ, দেবর শাকিল এবং আমেনার জামাতা বিদ্যুৎ এর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা ধামইরহাট উপজেলার গোপিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় আসামি বিদ্যুৎকে গ্রেফতার করে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়। পরবর্তীতে র‌্যাব-২, সিপিসি-১ এর সহায়তায় আমেনা, এরশাদ ও শাকিলকে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা জেলার আদাবর থানার সুনিবির হাউজিং এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামিদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!