এর আগে, বুধবার (৩ এপ্রিল) রাত আড়াইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী বাদশা জানান, রাত ১২টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর যখন রাত ২টার দিকে বিদ্যুৎ এলো, এর ২০ মিনিট পর কারখানায় আগুন দেখা যায়। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জানতে পারেন, ভেতরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
.png)
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুন লাগার খবর পেয়ে বাগেরহাটের ফকিরহাট, রামপাল ও খুলনা থেকে তিনটি ইউনিটসহ মোট ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ ছয়টি ইউনিটের আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক (বাগেরহাট) মো. সাইদুল আলম চৌধুরী বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ফকিরহাট, রামপাল ও বাগেরহাট সদরের ছয়টি ইউনিট আড়াই ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ধোঁয়া ও তাপ নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। তবে এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ বিস্তারিত জানা যাবে।
কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুর রহমান সুমন বলেন, ২০১৫ সাল থেকে শুরু হওয়া কারখানার উৎপাদিত প্লাইউড দেশের বিভিন্ন স্থানসহ ইউরোপে রফতানি হতো। আরো কিছু প্লাইউড প্রস্তুত করা হচ্ছিল। কিন্তু আগুনে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এর আগে বুধবার (৩ এপ্রিল) খুলনার উপজেলার জাবুসায় খুলনার সালাম জুট মিলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ বাহিনীর ১৬টি ইউনিটের ৮ ঘণ্টার চেষ্টায় জুট কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।