ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অন্ধকার হয়ে প্রচণ্ড বেগে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:২৮, ৭ এপ্রিল ২০২৪
অন্ধকার হয়ে প্রচণ্ড বেগে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৯টার দিকে অন্ধকার হতে শুরু করে। সাড়ে ৯টার দিকে রাতের মতো অন্ধকার হয়ে বজ্রপাতের শব্দ আসতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া শুরু হয়। হঠাৎ আবহাওয়ার প্রতিকূল অবস্থা শুরু হওয়ায় মানুষ দিশেহারা হয়ে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। দোকান-পাটে, বাজারে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে মানুষ।

নলছিটি উপজেলার খুলনা এলাকার নাসরিন জাহান বলেন, সকাল থেকেই আকাশের অবস্থা ভালো ছিল না। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন কিন্তু গরম পড়ছিল অনেক। সকাল ৯টার দিকেই অবস্থার আরো অবনতি হতে শুরু করে। এরপর রাতের মতোই অন্ধকার হয়ে বৃষ্টি নামতে শুরু করে। সেই সঙ্গে আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো ও বজ্রপাতের শব্দ আসতে শুরু করে। এতো বিকট শব্দ, যাতে ছেলে মেয়েরাও ভয়ে চুপ করে বসেছিল। পরক্ষণেই প্রচণ্ড বেগে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এতে কৃষিক্ষেত ও গাছপালার অনেক ক্ষতি হয়।

সদর উপজেলার নৈকাঠি এলাকার গাছ শ্রমিক মিজানুর রহমান বলেন, সকাল সাড়ে ৮টায় আকাশে মেঘ দেখেও জীবিকার সন্ধানে কাজে বের হয়েছি। কিছুক্ষণ কাজ করার পরে এমনভাবে অন্ধকার হয়ে আসছে, তাতে মনে হয়েছে রাত ৮টা বাজে। তখন ১০টার দিকে গাছ কাটা কাজ বন্ধ করে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছি। 

Advertisement

রাজাপুরের বাগড়ির সাপ্তাহিক হাটে যাওয়া রেজাউল করীম বলেন, সকালে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন দেখেই বাজারে বের হইছিলাম। ভাবছিলাম ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সাড়ে ৯টা থেকেই এমনভাবে অন্ধকার হয়ে আসে মানুষ চলাচলে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানো, আকাশে বজ্রপাতের শব্দ, ঝড়ো হাওয়ায় বাজারে আসা লোকজন দিশেহারা হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। পরে মাছ বিক্রির পাকা ভবনে আশ্রয় নেয়।

জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অন্ধকার হয়েই ঝড়ো হাওয়া, বৃষ্টি, বিদ্যুৎ চমকানো ও বজ্রপাত শুরু হয়। এতে গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি, বনজ ও ফলদ বৃক্ষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুম জানান, আবহাওয়ার প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলার জন্য জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সববিভাগ প্রস্তুত ছিল। দীর্ঘায়িত না হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে। তবে কি ধরনের ক্ষতি হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট বিভাগের পৃথক প্রতিবেদন ছাড়া নির্ধারণ করা সম্ভব হবে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
ট্যাগ: ঝড় ঝালকাঠি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!