নিহতের নাম মোরাদ হোসেনের (৫৬)। তিনি একই গ্রামের মৃত রহিম মাস্টারের ছেলে। নিহত মোরাদ ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে চাচাতো ভাই জালাল উদ্দিনের সঙ্গে মোরাদের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। শুক্রবার সকালে মোরাদ ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। সঙ্গে কিছু আসবাবপত্রও নিয়ে আসেন। ঐসব আসবাবপত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করার সময় চাচাতো ভাইয়ের বউ মাজেদা বেগমের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
.png)
একপর্যায়ে মাজেদা লাঠি দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করলে মোরাদ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোরাদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মাজেদা বেগম ও তার মেয়ে খুশিকে বেগমকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নকলা থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাজেদা বেগম ও তার মেয়ে খুশিকে আটক করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।