বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহাজটির মালিকপক্ষ কেএসআরএম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুল করিম।
তিনি জানান, রোববার বিকেল ৪টার দিকে জাহাজটি আল–হামরিয়া বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল সোমবার কয়লা খালাসের জন্য জাহাজটিকে জেটিতে ভেড়ানো হবে। জাহাজটি আল-হামরিয়া বন্দরে পৌঁছানোর পর দুই নাবিক ফ্লাইটে এবং বাকি ২১ জন ওই জাহাজেই দেশে ফিরে আসবেন।
.png)
গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগর থেকে ২৩ নাবিকসহ এমভি আবদুল্লাহ জিম্মি করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। এরপর তারা জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে যায়। ৩১ দিন পর শনিবার বিকেলে মুক্তিপণের অর্থ পেয়ে জাহাজ ছেড়ে নয়টি বোটে চলে যায় ৬৫ জলদস্যু। এরপর মধ্যরাতে ২৩ নাবিক নিয়ে জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হামরিয়া বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
এর আগে, ২০১০ সালে জলদস্যুর কবলে পড়ে একই গ্রুপের মালিকানাধীন জাহাজ এমভি জাহান মণি। তিন মাস পর মুক্তিপণ দিয়ে জাহাজটি ফিরিয়ে আনে তারা।