এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জাহাজের ১২ নাবিক সবাই নদীতে ভাসমান রয়েছেন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পরপরই জাহাজের নাবিকেরা ৯৯৯-এ কল দিয়ে সহযোগিতা চাইলে হাতিয়া নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডকে সহযোগিতার জন্য বলা হয়। দুপুর ২টার দিকে নলচিরা ঘাট থেকে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের দুটি টিম উদ্ধার করার জন্য রওনা হয়। তবে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে তাদের ১-২ ঘণ্টা সময় লাগবে।
.png)
নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মেহেদী জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে সাগর মোহনায়। আমরা একটি ট্রলার নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে এগোচ্ছি। নদী খুবই উত্তাল রয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে আমাদের সময় লাগবে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নাবিকেরা সবাই ডুবে যাওয়া জাহাজের ওপরের অংশ ধরে ভাসতেছেন।
মোহাম্মদ ওহায়েদুল ইসলাম নামে জাহাজের মালিক পক্ষের একজন মুঠোফোনে জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাহাজটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ডুবে যাওয়ার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। জাহাজে থাকা লোকজনের সঙ্গে প্রথমে কথা বলা গেলেও মোবাইলে নেটওয়ার্ক না থাকায় এখন যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। জাহাজটি চট্টগ্রাম থেকে মালামাল নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিল। ওই জাহাজে ১২ জন নাবিক রয়েছেন।