সরেজমিনে জানা যায়, ওই বাড়ির এক যুবতীর সঙ্গে চার মাস আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় পাশের বাকিলা ইউনিয়নের রাধাসার গ্রামের জনৈক যুবকের। বিয়ের পর ওই নববধূ কিছু দিন স্বামীর বাড়িতে থাকার পর বাবার বাড়িতে চলে যায়। সেখানে গত ৩০ এপ্রিল তার পেট ব্যথা দেখা দিলে হাজীগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১ মে ডেলিভারির মাধ্যমে কন্যাসন্তান প্রসব করেন তিনি।
হাসপাতাল থেকে নববধূ তার সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে গেলে পুরো গ্রাম ছড়িয়ে স্বামীর বাড়িতেও খবর চাউর হয়ে যায়।
.png)
ওই নববধূর বোন বলেন, তার স্বামী কাউসার যৌতুকের দাবিতে তাকে অত্যাচার করতো। এ ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে। আর এই সুযোগে তার আপন ছোট বোনের সঙ্গে অবৈধভাবে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় কাউসার।
এ বিষয়ে নববধূ প্রথমে কথা বলতে চাননি। পরে জানান, বিভিন্ন সময়ে তার বড় বোনের স্বামী কাউসার দিনে ও রাতে সুযোগ বুঝে মুখ চাপা দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতো। এখন এ ঘটনার কারণে যদি স্বামী তাকে না নেয় তাহলে সে ছাড়াছাড়ি মেনে নিবে।
এ বিষয়ে জানতে বোন জামাই একই ইউনিয়নের নওহাটা ফকির বাড়ীর ফারুকের ছেলে অভিযুক্ত কাউসারের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তাকে পাওয়া যাযনি।
কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের শাকছিপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য (মেম্বার) এম এ খালেক জানান, নববধূর স্বামী এসে বিষয়টি আমাকে জানিয়ে গেছে।