ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চাঁদপুরে মিতু হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:১০, ২৬ মে ২০২৪
চাঁদপুরে মিতু হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
ফাইল ফটো

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে আলোচিত মিতু আক্তার (২১) হত্যা মামলার আসামি মো. হযরত আলীকে (৩০) মৃত্যুদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অপর ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২) এর বিচারক সাহেদুল করিম এ রায় দেন।

হত্যার শিকার মিতু আক্তার উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. হযরত আলী একই উপজেলার কীর্তনখোলা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে।

Advertisement

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, মিতু আক্তারের সঙ্গে ২০১৩ সালে আসামি হযরত আলীর মোবাইলে পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঐ বছরই তারা উভয়ে নিজ ইচ্ছায় হাজীগঞ্জে কাজী অফিসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন ‍মিতু। যার ফলে ২০১৬ সালের ২৫ জুন নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে মিতু ও হযরত আলীর তালাক সম্পাদন হয়। এর মধ্যে হযরত আলী প্রবাসে চলে যান এবং মিতুর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখেন।

২০১৭ সালের জুন মাসে আবার দেশে ফিরে এসে পরের মাসের ২৩ জুলাই মিতুকে নিয়ে চাঁদপুর শহরে ঘুরতে আসেন হযরত আলী। ঘোরাঘুরি শেষে মিতুকে বাড়িতে দিয়ে যান। ঐদিন রাতেই হযরত আলী ও তার বন্ধুরা মিতুদের বাড়িতে খেতে আসবে বলে জানান। মিতুকে রাত ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে হযরত আলী তার বন্ধুদের তাদের বাড়ির সামনে থেকে এগিয়ে নিতে বলেন। মিতু এগিয়ে আনতে গিয়েই হত্যার শিকার হন।

এ ঘটনায় মিতুর মা রাবেয়া বেগম পরদিন ২৪ জুলাই হযরত আলীকে আসামি করে হাজীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আসামিকে হযরত আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান ভূঁইয়া জানান, মামলাটি প্রায় ৭ বছর চলাকালীন সময় আদালত ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। আসামির অপরাধ স্বীকার এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে বিচারক রোববার এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!