বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাঁদাবাজির অভিযোগে শনিবার দুপুরের দিকে র্যাব-৫, রাজশাহীর সদর কোম্পানি ও সিপিএসসি যৌথভাবে নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালায়। অভিযানে শহরের বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে জেলার মহাদেবপুর উপজেলার ধঞ্জইল বরুজান গ্রামের মো আব্দুল মজিদের ছেলে মূলহোতা সোহেল মৃধা, হর্শিউজানি গ্রামের মাজেদ আলী মণ্ডলের ছেলে হাফিজুল ইসলাম, দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর গ্রামের সূর্যকান্ত সরকার, বাগধানা দক্ষিণ পাড়ার মশর উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আতোয়ার, সদর থানার হাঁপানিয়া একডালা এলাকার আবু জাকির হোসেনের ছেলে শিপন।
বরুনকান্দি এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে আতোয়ার হোসেন, আত্রাই থানার রসুলপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে মামুন হোসেন, সদর থানার দিঘা এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে শামিম হোসেন, চকপাথুরিয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন, হাপানিয়া একডালা এলাকার হায়দার আলী সরকারের ছেলে পিন্টু রহমান, চক বিরাম এলাকার অভির সরদারের ছেলে মজিদ সরকার ও সদর থানার ভবানীপুর গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে আরিফ হোসেন, তার সহযোগী শিমুলিয়া এলাকার মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মুকুল হোসেন, ভবানীপুর গ্রামের নছির উদ্দিনের ছেলে হারুন অর রশিদ, হাট-নওগাঁর মোশারফ হোসেনের ছেলে আব্দুল মজিদ, বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বশিপুর এলাকার ময়েজ উদ্দিন সরদারের ছেলে জুয়েল হোসেন, সদর থানার শিমুলিয়া এলাকার নাছিরের ছেলে সাজু, আরজি নওগাঁ (মণ্ডলপাড়া) এলাকার আমজাদ মণ্ডলের ছেলে ঠান্ডু মণ্ডল, হাট-নওগাঁর মঈন উদ্দিনের ছেলে মাসুদ রানা, বর্ষাইল শামছুল হকের ছেলে শাহিন আলম, পার নওগাঁ (পুরাতন রেজিঃ অফিস পাড়া) এলাকার রতনের ছেলে রাকিব শেখ, পার নওগাঁ (ধোপাপাড়া) এলাকার সুবোধ রায়ের ছেলে সুমিত রায়, রামরায়পুর (ঋষিপাড়া) এলাকার গণেশ চন্দ্রের ছেলে সুজন কুমার, হাট-নওগাঁ (কালিতলা) এলাকার ফনির ছেলে গোপাল দাস, আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা এলাকার শরিফ উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে আব্দুল লতিফ।
.png)
অপরদিকে সদর থানার দয়ালের মোড় এলাকার জয়নুদ্দিনের ছেলে টিপু সুলতান, তাহার সহযোগী বরুনকান্দীর দছির উদ্দিনের ছেলে মণ্ডল ফিরোজ, উকিলপাড়া বাছের মিয়ার ছেলে মোস্তাক আহমদে, পার নওগাঁর হোসেন আলীর ছেলে সুলতান আলম মিলন, বাছারী গ্রাম আয়াতুল ফকিরের ছেলে মঞ্জু , পাহাড়পুর এলাকার জহির সরদারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, চকদেবপাড়ার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে পলাশ এবং খাসনওগাঁর মৃত মাহবুবুল হোসেনের ছেলে সুমন হোসেনকে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ৮টি চাঁদা আদায়ের রশিদ বই, ২টি টালী খাতা এবং আদায়কৃত চাঁদার নগদ ১৫ হাজার ৯২৫ টাকা উদ্ধার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, আটক ব্যক্তিরা রশিদ বই এর মাধ্যমে চাঁদা আদায় করে থাকে এবং টালী খাতায় চাঁদার টাকার পরিমাণ ও চালকের নাম লিপিবদ্ধ করে রাখে। আটক আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ভাউচারের (রশিদ, টোকেন) মাধ্যমে সিএনজি, অটোরিকশা এবং লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহনে চাঁদাবাজি করে আসছিল। যদি কোনো চালক চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন তাদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এছাড়া বিভিন্ন সময় মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরও করে থাকে তারা। আটক আসামিদের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় পৃথক তিনটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
র্যাব-৫ রাজশাহী ক্যাম্পের অধিনায়ক মুণীম ফেরদৌস বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত এক মাস ধরে তাদের ওপর নজরদারী রাখা হয়েছিল। এরপর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।