ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ঝিনাইদহে যা ঘটছে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৩৮, ২৭ মে ২০২৪
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ঝিনাইদহে যা ঘটছে
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ঝিনাইদহে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। রোববার (২৬ মে) বিকেল থেকে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়টি প্রভাব বিস্তার শুরু করে পুরো জেলাজুড়ে। রাত ১০টার পর থেকে থেমে থেমে দমকা বাতাসের সঙ্গে রাত ১টার পর থেকে শুরু হয় ব্যাপক বৃষ্টি।

জানা যায়, বৃষ্টির প্রভাবে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। রিকশা, ভান চালকরা পড়েছেন বিপাকে। রাস্তায় মানুষশূন্য। জরুরি কাজ ছাড়া মানুষ ঘর থেকে খুব একটা বের হচ্ছেন না। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতির হার বলতে গেলে শূন্যের কোটায় । তবে সকালে বৃষ্টি উপেক্ষা করে অফিসমুখী মানুষ বাধ্য হয়েই ঘর থেকে বের হয়। তবে দূরপাল্লার সব বাস সঠিক সময়ে চলছে বলে জানানো হয় টার্মিনাল থেকে।

ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর, মুজিব চত্বর, আরাপপুর মোড়, হামদহ মোড়ে ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের পদচারণা নেই বলেলেও চলে। বড় বড় শপিং মল এবং দোকান ছাড়া, ছোটোখাটো দোকানগুলো খুলেইনি। আর যারা খুলেছেন তারা দোকানেই অলস সময় কাটাচ্ছেন।

Advertisement

রিকশাচালক সবেদ আলী বলেন, কোনো যাত্রী নেই। রিকশা নিয়ে বের হওয়ায় ভুল হয়েছে।

ভ্যানচালক কৃষ্ণপদ জানান, বৃষ্টি হচ্ছে। তাই মালামাল সরবরাহের কোনো সুযোগ নেই। এ রকম বসেই সময় কাটাতে হচ্ছে।

ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রথীন্দ্র নাথ রায় বলেন, আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি। এখনো কোন ধরনের খারাপ খবর পাওয়া যায়নি। ৬ উপজেলায় আলাদা আলাদা মিটিং হয়েছে। শুকনো খাবারসহ ইউনিয়নে ইউনিয়নে সরকারি স্কুলে আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, থেমে থেমে বৃষ্টি ও মাঝে মাঝে দমকা বাতাসের মধ্যেই জেলায় এ ঝড় অতিক্রম করছে। মানুষকে নিরাপদে থাকার জন্য মেসেজ প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে যেন কেউ বের না হয়। উপজেলা পর্যায়ে সবসময় যোগাযোগ রক্ষা করে চলা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!