তাৎক্ষণিকভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজনকে বালুভর্তি জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালাতে দেখা যায়।
পুরান বাজার মেঘনা নদীর তীর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দুপুরের পর থেকে ঢেউয়ের তীব্রতা বাড়তে থাকে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কয়েক ফুট উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে তীরে। পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে ভাঙন আতঙ্কে নদীর তীরের অনেক লোকজন নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
.png)
স্থানীয়রা বলেন, বর্ষা আসলে প্রতি বছর নদীতে ভাঙন দেখা দেয়। এরইমধ্যে অনেকেই বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। ভাঙন দেখা দিলে কর্মকর্তারা আসেন নদীতে বালুর বস্তা ফেলতে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। যে পরিস্থিতি রাতে আমাদের বাড়িঘর টিকে কী না আমরা খুব শঙ্কিত।
ভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শনে আসা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের কাছে ভাঙনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় ২০ মিটারের মতো শহর রক্ষা বাঁধ দেবে গেছে। এরপরে তিনি আর কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হয়নি।
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান জানান, পুরান বাজার শহর রক্ষা বাঁধে ভাঙনের খবর পেয়েছি। এরইমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছেন। ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করি বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না।