বুধবার (২৯ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে দিনাজপুর। মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটের ঝড়ে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, ঝড়ের কারণে পুরো শহরজুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে যায়। শহরের বেশিরভাগ এলাকা টিনের ঘরবাড়ি ক্ষতির মুখে পড়েছে। রাস্তার দুই ধারের গাছ ভেঙে পড়ায় দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ভোররাতে সেগুলো সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
.png)
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫-৬০ কিলোমিটার। পাশাপাশি প্রায় ৩০ সেকেন্ডের মতো শিলাবৃষ্টি হয়। মোট বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ২ মিলিমিটার।’
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, রাতে আঘাত হানা কালবৈশাখী ঝড়টি ১০ মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল। এ সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫৫-৬০ কিলোমিটার। ঝড়ের পাশাপাশি মিনিট খানেক শিলাবৃষ্টি হয়। এখন পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ২ মিলিমিটার।
এদিকে, জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১০ বান্ডিল টিন ও ৩০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ জানান, ঝড়ের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে কিছু টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। তালিকা তৈরি করে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে কখন বিদ্যুৎ আসবে তার নিশ্চয়তা নেই।