পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার দক্ষিণ বহেরাতলা গ্রামের আলী হাসানের সঙ্গে সদর উপজেলার খালাসীকান্দি গ্রামের তাহমিনা আক্তারের বছরখানেক আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য তাহমিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করে আসছিলেন। শনিবার বিকেলে তাহমিনাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন নির্যাতন করেন। পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে তাহমিনা আক্তার মারা যান। মারা যাওয়ার পরই তাহমিনার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যান।
নিহতের ভাই রনি হাওলাদার বলেন, আমার বোন তাহমিনাকে তার স্বামী আলী হাসান ও বাবা-মা নির্যাতন করেন। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানেই আমার বোন মারা গেছেন। মারা যাওয়ার পর বোনের কাছে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও চিকিৎসার জন্য রাখা টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন। আমি তাদের বিচার চাই।
.png)
নিহতের পর থেকে আলী হাসান ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন। তাই তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আশরাফ হোসেন জানান, সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাহমিনার মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। নিহতের পরিবার নিজ জেলায় মামলা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।