আটককৃত বাসচালক ঢাকা, দুর্গাপুর ও লেংগুড়া রোডের মামনি পরিবহন ৭নং গাড়ির ড্রাইভার ও উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কৃষ্ণেরচর গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র।
ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর উত্তরবাড্ডা এলাকা থেকে নিজ এলাকার কলমাকান্দা নাজিরপুরে আসার উদ্দেশ্যে মামনি পরিবহনের ৭ নম্বর বাসে উঠেন। রাত ৩টার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের প্রেস ক্লাব মোড়ে নামিয়ে দেন বাসের হেলপার। এ সময় বাস থেকে নেমে যান বাসচালক খাইরুল ইসলামও।
.png)
প্রেস ক্লাব মোড় থেকে নাজিরপুরে যাওয়ার জন্য ওই নারী অটোরিকশা ভাড়া করতে গেলে বাসচালক বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরও কোনো উপায় না পেয়ে না বাসচালকের সঙ্গে অটোরিকশায় চড়েন। রিকশাটি পৌর শহর থেকে চন্ডিগড়ের দিকে যেতেই রূপ পাল্টে যায় বাসচালকের। এ সময় অটোর মধ্যেই শুরু হয় ধস্তাধস্তি। একপর্যায়ে চন্ডিগড় ইউনিয়নের মধুয়াকোণা এলাকায় সড়কের পাশে পুকুর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন বাসচালক খায়রুল ইসলাম।
পরে ওই নারীকে অটোরিকশা করে নাজিরপুর নিয়ে যাওয়ার মাঝে পথে কৌশলে আত্মীয়র বাড়ির সামনে নামিয়ে দেন। এ সময় অবস্থা বেগতিক দেখে ওই নারীর ব্যবহৃত মোবাইল, ব্যাগ নিয়েই চম্পট দেন অটোচালক ও বাসচালক খায়রুল ইসলাম বলেও অভিযোগে জানান।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ভুক্তভোগী নারী দুর্গাপুর থানায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগ জানালে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে বাসচালক খাইরুল ইসলামকে আটক করেন। প্রতিবেদন লেখার আগ পর্যন্ত এ ঘটনায় দুর্গাপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।
দুর্গাপুর থানার ওসি উত্তম চন্দ্র দেব জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত বাসচালককে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান। এছাড়াও থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।