ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নেত্রকোণায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান, সর্বশেষ যা জানা গেলো

নেত্রকোণা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:০৬, ১১ জুন ২০২৪
নেত্রকোণায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযান, সর্বশেষ যা জানা গেলো
ছবি: সংগৃহীত

নেত্রকোণা সদর উপজেলার কাইলাটি ইউপির ভাসাপাড়া গ্রামের সেই বাড়িটি থেকে পিস্তল, গুলিসহ ৮০ ধরনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। ৩০ ঘণ্টার অভিযানে এসব সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, এ ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখ করে নেত্রকোণা মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন উক্ত থানার ওসি (তদন্ত) আনিছুর আশেকিন।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান।

Advertisement

মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে- পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানার উত্তর বালিহারি গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে হামিম হোসেন ওরফে ফাহিম ওরফে আনোয়ার হোসেন ওরফে শাহজালাল, তার স্ত্রী উম্মে হাফছা (২৫), ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার হাসনাবাদ এলাকার আব্দুল হাইয়ের জামাতা সাইফুল্লাহ ওরফে সাইফুল (৪২) ও সাতক্ষীরা সদরের মাগুরা পূর্বপাড়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম ওরফে আতিক (৩৭)।

এর আগে, শনিবার (৮ জুন) দুপুর ১টা থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে বাড়িটি ঘিরে রাখে জেলা পুলিশ। পরে বোম ডিসপোজাল ইউনিট, বিশেষ অস্ত্র ও কৌশল (সোয়াত), সাইবার টিমসহ বেশ কয়েকটি বিশেষ টিমের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষ হয় রোববার (৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে।

অভিযান শেষে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেন জানান, বাড়িটি জঙ্গিদের একটি প্রশিক্ষণ শিবির। অভিযানে পিস্তল, গুলি, ল্যাপটপ, ওয়াকিটকি, মোবাইলফোন, রামদাসহ ৮০ ধরনের মালামাল জব্দ করা হয়। এছাড়া ছয়টি শক্তিশালী আইইডি (দূর নিয়ন্ত্রিত) বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়। প্রায় তিন একর জমিতে থাকা উঁচু প্রাচীর দেওয়া বাড়িটিতে তারা আড়াই বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন।

তিনি আরো জানান, বাড়িটিতে ফাহিম ওরফে আরিফ নামের এক যুবকসহ কয়েকজন ভাড়া থাকতেন। আরিফ গত ৫ জুন নরসিংদীর রায়পুরায় অস্ত্রসহ গ্রেফতার হন। ওই ঘটনার সূত্র ধরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেন বলেন, অধ্যাপক আব্দুল মান্নানের ফোনটি বন্ধ। ঘটনার তার সম্পৃক্ততা রয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে আর কিছু বলা যাচ্ছে না।

জেলা পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ বলেন, বাড়িটির ভেতরে ১৫-২০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উপযোগী পরিবেশ ছিল। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। জঙ্গিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!