ঢাকা,  রোববার   ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]
ঝিনাইদহ

দেড় হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৪৯, ১৬ জুন ২০২৪
দেড় হাজার কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা
ঝিনাইদহে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ঝিনাইদহে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। জেলার ২২টি হাটে ছোট ও মাঝারি সাইজের গরুর ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। এসব গরু ৫০ হাজার থেকে ৭০-৮০ হাজার টাকায় কেনাবেচা চলছে। এছাড়া ব্লাক বেঙ্গল ছাগলের চাহিদাও রয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। ছাগল বিক্রি হচ্ছে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে।

ঝিনাইদহে এবার কোরবানির জন্য ২ লাখ ১৮ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় কোরবানি পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৪০টি। তবে চাহিদার থেকে ৭৪ হাজার ৬৯১টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। খামারিরা দামও ভালো পাচ্ছেন। আবার ক্রেতাদের কাছেও দাম রয়েছে নাগালের মধ্যে। ফলে এ বছর কোরবানির বাজার বেশ জমে উঠেছে। 

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপাসহ জেলা শহরের গরুর হাট ঘুরে দেখা গেছে ছোট বা মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার মধ্যে গরু কিনছে মানুষ। 

ক্রেতা আউশিয়া গ্রামের মফিজ উদ্দিন জানান, জেলার ৬ উপজেলার হাটবাজার থেকে বড় সাইজের গরু সব ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বড় বড় হাটে চলে গেছে। আর বিভিন্ন হাট-বাজারে এখন যা বিক্রি হচ্ছে সবই ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না এলাকার কেপি হাসান জানান, ঝিনাইদহ পশুর হাটে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকার মধ্যে যেসব গরু ছিল সবই প্রায় বিক্রি হয়ে গেছে। 

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ঝিনাইদহ জেলার ৬ উপজেলায় দুই লাখ ১৮ হাজার ৪৩১টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ৭৭ হাজার ৯০৭টি ষাঁড়, ১৫ হাজার ৩০৬টি বলদ, ৮ হাজার ৬৩৫টি গাভী, ৩ হাজার ১১৩টি মহিষ, এক লাখ ৩ হাজার ৩৪টি ছাগল ও ১০ হাজার ৪৩৬টি ভেড়া রয়েছে। যার বাজার মূল্য দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি। জেলার ২৩ হাজার ১২৬ জন খামারি কোরবানির এই পশু পালন করেছেন। 

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার ব্যানার্জী জানান, নিরাপদ গবাদিপশু মাংস উৎপাদনে বরাবরই এগিয়ে ঝিনাইদহ। এই জেলার ২৩ হাজারেরও বেশি খামারিকে প্রতিনিয়ত পরামর্শ ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা এ বছর চাহিদার থেকেও ৭৪ হাজার বেশি পশু পালন করেছেন। 

তিনি আরো জানান, ঝিনাইদহে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৪৩ হাজার ৭৪০টি। কিন্তু জেলা খামারিরা দুই লাখ ১৮ হাজার ৪৩১টি পশু প্রস্তুত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। খামারিরা তাদের খামারের পালিত প্রায় ৯০ ভাগ পশু এরই মধ্যে ঢাকার বাজার ধরার জন্য নিয়ে গেছেন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!