আহতরা হলেন- নাসির (২৮), আবুল হাসেম (৫৮), ইমায়েদ (২৭), শহীদ হোসেন (৩৮), রানু (৪২), আয়শা (৪৫), মিশু (৩০), রিপন (৩৭), সোহরাব (৪০), নাজির মিয়া (৪২), মামুন (২৭), হৃদয় (২৫), সাদেক মিয়া (৫৫), সেলিম (৪৫), মেহেদী (২৬), মিজান (৪৫), আ. কাদের (৪০), সাব্বির (২৫), আল-আমিন (৩০) প্রমুখ। তারা সবাই জেলা শহরসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহার দিন জেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় অসংখ্য কোরবানির পশু জবাই করা হয়েছে। এসব পশু জবাই ও পশুর মাংশ কাটতে গিয়ে মৌসুমি কিছু কসাই ও পরিবারের সদস্যরা পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে তাদের কারো হাতে, পায়ে ধারালো ছুরি আঘাতে আহত হয়। আহত প্রত্যেককে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে অন্তত ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের কারো অবস্থাই গুরুতর নয় বলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
.png)
আহতদের মধ্যে জেলা শহরের মেড্ডা এলাকার মোস্তাক আহমেদ জানান, পায়ের নিচে মাংস রেখে কাটার সময় আমার পায়ে কোপ পড়ে যায়। এতে তার পায়ে ধারালো ছুড়ির আঘাত লাগে। পরে পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তার পায়ে দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ঘাটুরা গ্রামের আহত শহীদ হোসেন জানান, সকালে কোরবানি দেওয়ার পর গরুর মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত আমার হাতে ছুড়ি লেগে অনেকাংশ কেটে রক্ত বের হতে থাকে। পরে সদর হাসপাতালে এসে ব্যান্ডিজ করার পর রক্ত বন্ধ হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অর্ণিবান মোদক জানান, সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় ৭৫ জন রোগী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা সবাই কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে আহত হয়েছেন। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আহতদের মধ্যে ৫ জন গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা সবাই শঙ্কামুক্ত।