সোমবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় স্পেশাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন চেয়েছিলেন তিনি। তবে শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মোছাম্মত ইসমত আরা আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন এবং দুর্নীতির এই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মিয়া মো. নুরুজ্জামান। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি অ্যাডভোকেট বজলে তৌহিদ আল হাসান বাবলা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে তিনি আসামির জামিনের বিরোধিতা করেন।
.png)
এ মামলায় জেলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ মোট আসামি সাতজন। এদের মধ্যে শুধু আজহারুল ইসলামই আত্মসমর্পণ করেছেন। অন্য ছয় আসামি পলাতক আছেন।
অ্যাডভোকেট বজলে তৌহিদ আল হাসান বাবলা জানান, চাষিদের কাছ থেকে গম না কিনে মিল মালিকদের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল। এভাবে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা দুর্নীতি করা হয়। এ অভিযোগে দুদকের সমন্বিত রাজশাহী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আল-আমিন ২০২০ সালে সাতজনের নামে মামলা করেন। পরে মামলার অভিযোগপত্রও দায়ের করা হয়। তবে আসামিরা এতদিনেও আদালতে এসে হাজির হননি। আজ মামলার ধার্য্য তারিখে আজহারুল ইসলাম হাজির হন। তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন এবং দুর্নীতি এই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।