ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

একা পেয়ে প্রতিবেশীকে ধর্ষণের পর হত্যা, পরিত্যক্ত বাগানে ফেলে রাখে লাশ

নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩০, ২৬ জুন ২০২৪
একা পেয়ে প্রতিবেশীকে ধর্ষণের পর হত্যা, পরিত্যক্ত বাগানে ফেলে রাখে লাশ
গ্রেফতারকৃত মো. হাবিবুর রহমান

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। গ্রেফতারকৃত মো. হাবিবুর রহমান (২১) উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রশিদপুর গ্রামের কালাগাজী বেপারী বাড়ির মৃত মো. মোস্তাফার ছেলে।  

বুধবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ।

এর আগে, মঙ্গলবার তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  

Advertisement

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসামি হাবিবুর রহমান ভিকটিমের প্রতিবেশী হন। ভিকটিম রশিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ভিকটিমকে স্কুলে যাওয়ার পথে প্রেম নিবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন হাবিবুর। আসামির পরিবারকে একাধিকবার বিষয়টি জানালেও তারা কোনো প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বেলা সাড়ে ১০টার দিকে ভিকটিম স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয়রা ভিকটিমের লাশ একটি পরিত্যক্ত বাড়ির বাগানের আমগাছের নিচে পড়ে থাকতে দেখেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ মর্গে প্রেরণ করে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আসামি হাবিবুর ক্ষিপ্ত হয়ে তার সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে ভিকটিমকে স্কুল থেকে ফেরার পথে আটক করেন। পরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর স্থানীয় বেগমের পরিত্যক্ত বাড়ির পাশে লাশ ফেলে চলে যান। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে আসামি ১৮ বছরের কম হওয়ায় মামলার বিচারিক কার্যক্রম নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর হয়। 

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বলেন, আসামি জামিন পেয়ে পলাতক থাকায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাব-১১ নোয়াখালীর আভিযানিক দল পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে। আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোনাইমুড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!