এ স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, পাথর, রড, সিমেন্ট, তুলা, ভোজ্যতেল, এলপি গ্যাস, প্লাস্টিক, বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীসহ অর্ধশতাধিক পণ্য রফতানি হচ্ছে।
স্থল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এ স্থল বন্দর দিয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতে রফতানি হয়েছে প্রায় ৪২৮ কোটি টাকার পণ্য, যা বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ৫১ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। পাশাপাশি এর বিপরীতে আমদানি হয়েছে ৭ কোটি টাকার পাথর, পেঁয়াজ, আদা ও জিরা। এ থেকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ রাজস্ব পেয়েছে ৪ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। তবে রাজস্ব বাড়লেও নানা সংকটে আমদানি কমার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া রফতানি আরো বাড়াতে ভারতে নতুন পণ্যের বাজার খুঁজছেন তারা।
.png)
সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া স্থল শুল্ক স্টেশন দিয়ে সর্বপ্রথম ১৯৯৪ সালে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়। ধীরে ধীরে বাণিজ্য বাড়ায় গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১০ সালে পূর্ণাঙ্গ বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তারপর থেকে বন্দর দিয়ে প্রতিদিন হিমায়িত মাছ, রড, সিমেন্ট, প্লাস্টিক, ভোজ্যতেল, তুলা, ফার্নিচার ও খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানি হয় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। সেখান থেকে রফতানি পণ্যগুলো সরবরাহ হচ্ছে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে। বর্তমানে রফতানি হওয়া পণ্যগুলোর মধ্যে বেশি যাচ্ছে হিমায়িত মাছ ও সিমেন্ট। প্রতিদিন অন্তত ৫০ টন পাঙ্গাস, পাবদা ও কাতলসহ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এবং প্রায় ৭০ টন সিমেন্ট রফতানি হয় আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে। আর প্রতি টন মাছ আড়াই হাজার ডলার এবং প্রতি টন সিমেন্টের রফতানি মূল্য ৮৬ ডলার পর্যন্ত। সব মিলিয়ে দিনে প্রায় ২ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয় বন্দর দিয়ে।
আখাউড়া স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মো. ইমরান হোসেন বলেন, রফতানি পণ্যবাহী গাড়ি দ্রুত ছাড়করণের পাশাপাশি আমদানি-রফতানি বাড়াতে ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। আমদানি-রফতানি ছাড়াও এ বন্দর দিয়ে যাত্রী পারাপার থেকেও রাজস্ব আয় করে সরকার। বিদায়ী অর্থবছরে ভ্রমণ কর বাবদ রাজস্ব এসেছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা।