মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিজ বাড়িতে ফেরেন তারা।
জানা যায়, ওই তিন কিশোরী কক্সবাজারে দুদিন ঘোরাঘুরির পর বাড়িতে ফোন করে নিজেদের অবস্থানের কথা জানায় এক কিশোরী। পরে কক্সবাজারের নারকেল তলায় বসবাসকারী তাদের এক আত্মীয়কে ফোন করে মেয়েদের অবস্থানের বিষয়টি জানান। পরে ওই আত্মীয় তিন কিশোরীকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে নান্দাইল থেকে স্বজনরা কক্সবাজারে গিয়ে তিন কিশোরীকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
.png)
এক কিশোরীর বাবা বলেন, মেয়েরা এত অল্প বয়সে যে দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এতে তারা বড় ধরনের বিপদে পড়তে পারত। তিনি তার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে বোঝাবেন। অন্য অভিভাবকদেরও মেয়েদের শাসন না করে বোঝাবেন বলে জানান।
নান্দাইল মডেল থানার ওসি মো. আব্দুল মজিদ বলেন, গত শনিবার ওই তিন কিশোরী স্বেচ্ছায় কক্সবাজারে যাওয়ার উদ্দেশে স্বজনদের কিছু না জানিয়েই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এ ঘটনার পরদিন থানায় জিডি করে তাদের স্বজনরা। ওই তিন কিশোরীর একজন তার স্বজনকে জানায়, তারা কক্সবাজারে আছে। পরে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকালে বাস করে বাড়িতে ফেরার আগে ওই তিন কিশোরীকে প্রথমে নান্দাইল মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া আসা হয়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে তাদের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।