এর আগে, দুদুকের মামলায় আদালতের আদেশে শনিবার দুপুরে বাড়িটি জব্দ করে দুদক। তবে দরজায় লাগানো ডিজিটাল লক থাকায় বেনজীরের প্রযুক্তির কাছে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান। পরে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫ ঘণ্টার তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে অংশ নেন নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শফিকুল আলম, নারায়ণগঞ্জ জেলা দুদকের উপ-পরিচালক মাইনুল হাসান রওশানী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিমন সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা।
.png)
বিকেল ৫টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে দুদক কর্মকর্তা মাইনুল হাসান রওশানী বলেন, আমরা আদালতের নির্দেশ পালন করেছি মাত্র। এখানে ভেতরে থাকা মালামালের তালিকা করতে সময় লেগেছে; যা আদালতের কাছে আমরা জমা দেব। এখানে সাংসারিক কাজে ব্যবহৃত আসবাব ও তৈজস ছাড়া কিছু পাইনি।
এদিকে পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বাড়িতে দ্বিতীয় দফায় তল্লাশিকে কেন্দ্র করে অভিযানের বিষয়টি জানতে আশপাশের এলাকার লোকজন ভিড় জমান।
প্রসঙ্গত, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দেশের নানাস্থানে অবৈধ স্থাপনা গড়েছেন। বাদ যায়নি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের দক্ষিণবাগ চোরাবো মোড়ের ডুপ্লেক্স বাড়িও। আনন্দ হাউজিং নামীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের গড়া আবাসন কোম্পানিতে ২৪ কাঠা জমিতে তার মেয়ে মির্জা ফারহীন রিশতা বিনতে বেনজীরের নামে গড়ে তুলেছেন আলিশান বাড়ি। যেখানে সাধারণের প্রবেশ ছিল নিষেধাজ্ঞা। বেনজীর যেদিন এ বাড়িতে আসতেন আর যতক্ষণ অবস্থান করতেন বন্ধ রাখা হতো এখানকার রাস্তা। পুলিশের পাহারায় এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতেন তিনি।
সূত্র জানায়, আট বছর আগে এলাকার প্রয়াত প্রেমানন্দ সরকারের সন্তানদের কাছ থেকে ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকায় ৫৫ শতাংশ জায়গা কেনেন তিনি। পরে বছর চারেক আগে ওই জমিতে বাড়ি করেন তিনি। তার ওই বাড়ি ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা গল্প ও রহস্য।