সোমবার বিকেলে ইমন হোসেনকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে, রোববার রাতে উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউপির পূর্ব ষোলদানা গ্রামে দারুসসুন্নাহ মোহাম্মাদিয়া আয়েশা হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমন একই ইউপির হামছাপুর গ্রামের মো. ফজল হক তৈয়বের ছেলে। আহত ইউসুফ ষোলদানা গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে। দুজনই ওই মাদরাসার শিক্ষার্থী।
.png)
আহত ইউসুফ আবদুল্লা জানান, মাদরাসার শিক্ষক আশরাফ আলী বিছানার চাদর ও বালিশের কাভার ধুয়ে ছাদের রোদে শুকাতে দেয়। সন্ধ্যায় তাদের ছাদ থেকে বিছানার চাদর ও বালিশের কাভার আনতে পাঠায় অপর শিক্ষক মাহদী। এ সময় ছাদের পাশে একটি কদম গাছে ফুল দেখতে পেয়ে ছাদে থাকা রড দিয়ে ইমন হোসেন কদম ফুল সংগ্রহ করার সময় পাশে থাকা বিদ্যুতের তারের সঙ্গে বিদ্যুতায়িত হয়ে পুরো শরীর পুড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইমনের।
নিহত ইমনের বাবা মো. ফজল হক তৈয়ব বলেন, ৪ সন্তানের মধ্যে ইমন একমাত্র পুত্র সন্তান। ছেলেকে মাদরাসায় দিয়েছি, সে হাফেজ হয়ে আমাদের কবর জিয়ারত করবে, জানাজা পড়াবে। কিন্তু মাদরাসা কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে আমার একমাত্র ছেলেকে হারাতে হলো।
মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আশরাফ আলীকে মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফরিদগঞ্জ থানার এসআই মাহফুজ হোসেন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃত শিক্ষার্থীর পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইমনের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা করা হয়েছে।