ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

‘বাড়িঘর ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে ছুটে আসি’

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৪৯, ২৪ আগস্ট ২০২৪
‘বাড়িঘর ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে ছুটে আসি’
মোহাম্মদ খলিল -ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‘বাড়িঘর পানিতে ডুবে গেছে। চলাচলের একটি পথ ছিল, সেটিও ভেঙে শেষ হয়ে গেছে। প্রাণ বাঁচাতে বাইরে আশ্রয় নিয়েছি। এখন আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। কি করবো সেটিও জানি না।’

কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ষাটোর্ধ্ব মোহাম্মদ খলিল। শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় তার।

তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে আমাদের জন্য খাবার আসছে। সেগুলো খেয়ে এখন দিন পার করছি।

Advertisement

একই এলাকার মোহাম্মদ ইউছুফ বলেন, এলাকার অসংখ্য বাড়িঘর পানিতে ডুবে গেছে। অনেকের ঘর ভেসে গেছে। সবাই যে যার মতো করে বাইরে আশ্রয় নিয়েছে।

টানা বর্ষণ ও হালদা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে ফটিকছড়ি উপজেলার ২০ হাজার পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ। হালদা নদীর উজান থেকে আসা পানির স্রোতে নারায়ণহাট, ভুজপুর, পাইন্দং, লেলাং, সমিতিরহাট, হারুয়ালছড়ি, সুয়াবিলসহ উপজেলার অধিকাংশ নিচু এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যায় হালদা নদীর পয়েন্টে থাকা বাঁধের ১৬টি স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হালদা নদী ছাড়াও লেলাং খাল, ধুরুং খাল, সর্তা খাল, ফটিকছড়ি খাল, মন্দাকিনী খাল, গজারিয়া খাল, তেলপারি খাল, কুতুবছড়ি খালের তীর ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে।

এরমধ্যে অসংখ্য মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরা বোট নিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমসহ শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন।

শনিবার কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে গেলেও সকাল থেকে আবারো বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!