প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘরবাড়ি ডুবে গেছে, তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। হু হু করে পানি বেড়ে যাওয়ায় মুহূর্তেই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। ফলে গত ৩ দিনে পানি বেড়েছে ২ থেকে ৪ ফুট। ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন বানভাসি মানুষজন।
তারা বলছেন, এমন দুর্বিষহ অবস্থা ১৯৮৮ সালের বন্যার পর আর দেখেননি। এবারের বন্যা আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে। অব্যাহত ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারের ঢলে লক্ষ্মীপুর জেলার ৮০ শতাংশ এলাকা এখন পানির নিচে।
.png)
জানা যায়, নোয়াখালী থেকে বন্যার পানি ঢুকে লক্ষ্মীপুরের বিস্তীর্ণ জনপদ ডুবে গেছে। এর সঙ্গে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে পুরো জেলায়। সময় যত যাচ্ছে বন্যা পরিস্থিতির ততই অবনতি হচ্ছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। আবার অনেকের গন্তব্য উজানে স্বজনদের বাড়ি।
এরমধ্যে অনেকেই আছেন যাদের গন্তব্য অজানা। অনেকে আবার চৌকির ওপর রান্নাবান্না করে ঘরেই অবস্থান করছেন। কোমর পর্যন্ত পানিতে যাতায়াতে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে। এছাড়া সুপেয় পানির অভাব দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন গৃহস্থরা।
এদিকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিতরণ করা হচ্ছে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার।